বাংলাদেশ রিজিয়ন থেকে রানিং ভেরিফাই অ্যাপ্রুভ হচ্ছে!
বাংলাদেশ রিজিয়ন থেকে রানিং ভেরিফাই অ্যাপ্রুভ হচ্ছে!
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ফেসবুক এখন সকলের কাছে একটি জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম। দিন দিন এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রকৃত ব্যবহারকারীদের ভিড়ে ফেক অ্যাকাউন্টের সংখ্যাও কম নয়। ফেসবুকে প্রকৃত ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে মূলত ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কিংবা বিজ্ঞজনদের কাছে এর ভিন্ন ব্যাখ্যাও থাকতে পারে। আমি আমার নিজের মতো করে বোঝানোর চেষ্টা করেছি।
কী ধরনের ডকুমেন্টস এর মাধ্যমে রানিং ভেরিফাই করা যায়?
গভমেন্ট স্বীকৃত নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্টস এর মাধ্যমে রানিং ভেরিফাইয়ের জন্য আবেদন করা যায়। তন্মধ্যে
- পাসপোর্ট
- ন্যাশনাল আইডি কার্ড
- বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স
ইত্যাদি ডকুমেন্টস এর ক্ষেত্রে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়।
কিভাবে ডকুমেন্ট সাবমিট দিবেন?
ফেসবুক অফিশিয়াল অ্যাপ থেকে রানিং ভেরিফাইয়ের জন্য আবেদন করতে গেলে covid-19 সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বন্ধ আছে এরকম মেসেজ দেখাবে। এখান থেকে সাবমিট দিলে তারা আপনার আবেদন গ্রহণ করবে না। তাই এখান থেকে প্রথমে বাংলাদেশ রিজিয়ন সিলেক্ট করে ব্রাউজার থেকে ডকুমেন্ট সাবমিট দিতে হবে।
- রানিং ভেরিফাইয়ের জন্য প্রথমে ফেসবুক অফিশিয়াল অ্যাপ থেকে বাংলাদেশে রিজিয়ন সিলেক্ট করে নিবেন।
- তারপর যে কোন একটি ব্রাউজারে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগ-ইন করবেন।
- অতঃপর একই ব্রাউজারে ডেক্সটপ মোড অন করে web.facebook.com/id এই লিঙ্ক থেকে বৈধ ডকুমেন্টস সাবমিট দিবেন।
আপনার ডকুমেন্টস সাবমিট দেওয়া হয়ে গেলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ 48 ঘন্টার ভিতরে আপনার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ফিডব্যাক দিবে।
দ্র. ফেসবুক একাউন্ট ভেরিফাই এর জন্য আপনার দেওয়া ডকুমেন্টস এর সাথে নাম এবং জন্মতারিখ এর তথ্য হুবহু মিল থাকতে হবে। কোন ধরনের এদিকসেদিক হলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন গ্রহণ করবে না। অনেকক্ষেত্রে বৈধ ডকুমেন্টস দেওয়ার পরেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ফেক হিসেবে গণ্য করে। তাই একবারে কাজ না হলে কিছুসময় অপেক্ষা করে পুনরায় ট্রাই করবেন।
Post a Comment